সুখবর, সুখবর, সুখবর—এখন থেকে প্রতি শুক্রবার হৃদরোগ, বাতজ্বর, হাইপারটেনশন, অনিয়মিত পালপিটেশন ও বক্ষব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে বিশেষ সুবিধা। নীলফামারীতে সর্বপ্রথম এবং একমাত্র মহিলা কার্ডিওলজিস্ট (হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ) ডা: মোছাঃ সামান্থা আক্তার এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডি-কার্ড (কার্ডিওলজী), বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়—এখন নিয়মিত চিকিৎসা প্রদান করছেন।
নীলফামারীর নাগরিকদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগ। দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ সংক্রান্ত চিকিৎসার জন্য দূর-দূরান্তে যেতে হতো রোগীদের। কিন্তু এখন নিজ জেলাতেই উন্নত মানের চিকিৎসা সুবিধা পাচ্ছেন রোগীরা।
ডা: মোছাঃ সামান্থা আক্তার একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসক। তিনি এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে কার্ডিওলজিতে ডি-কার্ড ডিগ্রি অর্জন করেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তার চিকিৎসা সেবায় রয়েছে আধুনিকতা, আন্তরিকতা এবং রোগী বান্ধব আচরণ।
তিনি বিশেষভাবে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন), বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ, অনিয়মিত হার্টবিট (পালপিটেশন) এবং বক্ষব্যাধি রোগের চিকিৎসায় পারদর্শী। এছাড়াও তিনি নিয়মিত ইকো কার্ডিওগ্রাম (Echocardiogram) পরীক্ষা করে থাকেন, যা হৃদরোগ নির্ণয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🟦 সেবার স্থান ও সময়:
📍 স্থান: নাগরিক হাসপাতাল, নীলফামারী
🗓️ দিন: প্রতি শুক্রবার
⏰ সময়: সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
এই উদ্যোগের ফলে নীলফামারীর সাধারণ মানুষ এখন ঘরের কাছেই উন্নত হৃদরোগ চিকিৎসা পাচ্ছেন। বিশেষ করে একজন নারী হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের উপস্থিতি অনেক নারী রোগীর জন্য স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়ভাবে এমন মানসম্পন্ন চিকিৎসা সেবা চালু হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। স্বাস্থ্যসেবার এই অগ্রযাত্রা নীলফামারীর চিকিৎসা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।